Monthly Archives: জানুয়ারি 2011

শূন্য-গর্ভ

বাতাসবোনা ঘাসখেতে কানের লতিতে ধুলো মেখে আমাকে ঘিরে যখন কেউটে শিশুরা নাচতে আরম্ভ করেছে খসখসে অন্ধকারে উদোম তর্জনী তুলে দেখলুম বৃষ্টির ফিসফিসানির মাঝে সূর্য ওঠার রিনরিন বাজনা এমন মৃদু রাইফেলের ফুটোয় দ্যাখা চারচৌকো জগৎসংসার তাকে ঘিরে রেখেছে কাঁটার মুকুট-পরা স্লোগানসিক্ত … বিস্তারিত পড়ুন

Posted in পোস্টমডার্ন কবিতা, শূন্যগর্ভ | Tagged , | এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

আমার জিগরি দোস্ত ফ্যাটুল চিঠিপাধ্যায়

দোষ-নির্দোষের মাঝে আটক  আমার জিগরি দোস্ত ফ্যাটুল চিঠিপাধ্যায় ওর হাঙরহাসি মুখ ভেঙচে বাছুরের চামড়ায় বাঁধানো ভাগবতে হাত রেখে শপথ করেছিল যে, ফাঁকা চেয়ারটায় যে-অদৃশ্য লোকেরা বসে থাকে তাদের বলবে: ‘সময় ব্যাটাই বন্ধু সেজে ভয় দেখায়’ কাঠঠোকরার বাসার ফুটোয় ঝড়ের ঢঙে … বিস্তারিত পড়ুন

Posted in আমার জিগরিদোস্ত ফ্যাটুল চিঠিপাধ্যায়, ইয়ার্কির কবিতা | Tagged , | এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

প্রস্তুতি

কে বললে বিধ্বস্ত হয়েছি? দাঁত নখ নেই বলে? ওগুলো কি খুবই জরুরি? আবাঁট চাকুর মেধা তলপেট লক্ষ করে বিদ্ধ করে দিয়েছি সেসব এরই মধ্যে ভেলে গেলেন কেন! পাঁঠার মুখের কাছে পাতাসুদ্ধ কচি এলাচের গোছা, সেই যে সেই সব কান্ড? ঘৃণাশিল্প, … বিস্তারিত পড়ুন

Posted in প্রস্তুতি, ফিরেদেখা কবিতা | Tagged , | এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

জখম

জখম : হাংরি আন্দোলনের প্রতিনিধিত্বমূলক বিখ্যাত কবিতা চাঁদোয়ায় আগুন লাগিয়ে তার নিচে শুয়ে আকাশের উড়ন্ত নীল দেখছি এখন দুঃখকষ্টের শুনানি মুলতুবি রেখে আমি আমার সমস্ত সন্দেহকে জেরা কোরে নিচ্ছি হাতের রেখার ওপর দিয়ে গ্রামোফোনের পিন চালিয়ে জেনে নিচ্ছি আমার ভবিষ্যৎ … বিস্তারিত পড়ুন

Posted in জখম, হাংরি আন্দোলনের কবিতা | Tagged , | এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

হাততালি

উৎসর্গ : মীরা বেনুগোপালন তারপর পলিতকেশ কাশফুলে পইপই বারণের পুশতুভাষী দুর্যোধন বেরিয়ে পড়েছে দগদগে রোদে চন্দনরক্তের পাথরপোশাক রক্ষীদের সরিয়ে অন্ধকারকে খুঁচিয়ে বের করে এনেছেন সকালের বিকল্প কাঁচা নরকের উদাত্ত অনুভব হাহ রোগা পৃথিবীর শিয়রে রাতজাগা নেশুড়ে হরতালের দরুন ক্রুশকাঠ থেকে … বিস্তারিত পড়ুন

Posted in অধুনান্তিক কবিতা, হাততালি | Tagged , | এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

লিজ্জত পাঁপড়

আররে ভাইই ভুরুর বাবলাকাঁটায় তো পাক ধরেছে, তাই শব্দের ঘাঁতঘোঁতে তেমন লড়াই-টড়াই না থাকলে শরীরের যেখানে-যেখানে ধন্দের আনন্দ সেসব আমোদ আহ্লাদ , হরি হে, খবরের কাগজে বাসি-খোঁপার বদগন্ধউলি মেয়েমানুষ যেদিন-যেদিন ছাইরঙা ভাষায় কথা বলেন, হ্যাটমাথা বাঘশিকারীরা বাঘেদের সঙ্গে-সহগে লোপাট হয়ে … বিস্তারিত পড়ুন

Posted in অধুনান্তিক কবিতা, লিজ্জত পাঁপড় | Tagged , | এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

সব গর্তই ঊর্ধমুখীন, আহা

আজে-বাজে স্বপ্ন যাতে না দেখে ফেলি তাই স্বপ্ন পাহারা দিচ্ছি এমন এক ভোরে জলের ঢেউয়ে গড়া অহংকারের পাঁচিল তুলে ছুঁচসুতো দিয়ে লেখা গল্পের শহিদটাকে খুঁজে পেলুম জাহাজদুবির লাশেদের সভায় সে একখানা বোড়ে ঘেরা দাবার রাজা বটে অনেক গাছ তো হয়ে … বিস্তারিত পড়ুন

Posted in অধুনান্তিক কবিতা, সব গর্তই ঊর্ধমুখীন আহা | Tagged , | এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

দে গোরুর গা ধুইয়ে

আররে ইসলামভাই — আদাব। প্রণাম। সৎশ্রী আকাল। গুড ডে। বোমা ও বউমা শাসিত ভুঁয়ে পা ছড়িয়ে দিব্বি শুয়ে আছো। লকলকে অন্ধকারে। এ এক চমৎকম্মো । কোনো দিকে দিক নেই। ন্যুব্জ লোচ্চার ভিড়ে। মনীষা-জর্জর ঘোঁটঘটকের আলজিভবিহীন গোরে। বা হয়তো বহু আলজিভ … বিস্তারিত পড়ুন

Posted in অধুনান্তিক কবিতা, দে গোরুর গা ধুইয়ে | Tagged , | এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

কী বিষয় কী বিষয়

আররে রবীন্দ্রনাথ তোমার সঙ্গেই তো নেচেছিলুম সেদিন আঙুলের ইতিহাসে একতারার হাফবাউল ড়িংড়াং তুলে ফ্রি স্কুল স্ট্রিটের জমঘট থেকে সদর স্ট্রিটের লবঙ্গ বাজারে যেতে-যেতে তুমি বললে, আমাগো শিলাইদহ থিকা আসতাসি আলুমুদ্দিন দপতর যামু আগুন আর জলের তৈরি তোমার ঠোঁটে তখনও একচিলতে … বিস্তারিত পড়ুন

Posted in অধুনান্তিক কবিতা, কী বিষয় কী বিষয় | Tagged , | এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

টাপোরি

আমি যে-কিনা পালটিমারা তিতিরের ছররা-খাওয়া আকাশে জলে-ডোবা ফানুসপেট মোষের শিং থেকে জন্মেছিলুম অলসচোখ দুপুরে পুঁতি-ঝলমলে নিমগাছটার তলায় থাবা-তুলতুলে আদর খাচ্ছিলুম ভুরু-ফুরফুরে শ্যামাঙ্গী গৌরীর হাত-খোঁপায় গোঁজা বৃষ্টির কাছে নতশির স্বর্ণচাঁপার কোলে আমি যে-কিন গ্রিল-বসানো সকালমেঠো দিগন্তে দাঁড়িয়ে মাড়ানো ঘাসের পদচিহ্ণ আঁকা … বিস্তারিত পড়ুন

Posted in অধুনান্তিক কবিতা, টাপোরি | Tagged , | এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান