সংস্কৃতি কেন জৈবিক

Posted in Uncategorized | এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

রোবোটিক সততা

Posted in Uncategorized | এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

কান্নাপাড়ার চৌমাথায়

Posted in Uncategorized | এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

পপির ফুল

Posted in Uncategorized | এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

মাথা কেটে পাঠাচ্ছি যত্ন করে রেখো

Posted in Uncategorized | এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

ডারউইনের বর্ণচোরা

Posted in Uncategorized | এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

মা

যতো বুড়ো হচ্ছি ততো বেশি মনে পড়ছে মায়ের মুখ

বিভিন্ন বয়সের মুখ একই সঙ্গে

ক্যাথলিক স্কুলে যাচ্ছি — মা তো টা-টা করতে জানতেন না

দরোজার কপাট একটু-একটু করে বন্ধ করছেন

ইমলিতলার ঝোপড়ি থেকে তাড়ি খেয়ে ফিরেছি

কিছুক্ষণ পর মা নাকে আঙুল চাপা দিয়ে ইশারা করেছেন

ওপরে ঘরে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়তে নয়তো বাবা এসে জানতে পারবেন

মায়ের মুখে ভীতি যা আসলে আমার

ব্রা্হ্ম স্কুল থেকে ভিজে জামা সপসপে জুতোয় ফিরেছি

মা আগে থেকেই তৈরি ছিলেন গামছা আর হাফপ্যান্ট নিয়ে

অ্যালুমিনিয়ামের বাটিতে চিনেবাদাম দেয়া হালুয়া নিয়ে

বাটিটা মায়ের হাসির মতন তোবড়ানো

কুড়ি জনের সংসার সামলাতে হয় মাকে — উনি দেখান আমি কুড়ি নম্বরে

মৃদু হাসি দেখে টের পাই আমিই এক নম্বরে

বয়সের সঙ্গে তাল দিয়ে আমার আর মায়ের মুখ একইভাবে চুপসে থাকে

চোখ বুজে মায়ের হাজার খানেক মুখ মনে করতে পারি এখন

গ্রেপ্তার হবার সময়ে মায়ের আতঙ্কিত মুখ বেশি করে মনে পড়ে

অবাঙালি পত্রপত্রিকায় আমার ফোটো দেখে আবার হাসি ফিরে আসে

মা বেশ গর্বোদ্ধত নারী ছিলেন বুঝতে পারি চোখ বুজে

যাবার সময়ে ওই গর্ববোধ দিয়ে গিয়েছিলেন, সেই মুখও মনে আছে…

Posted in Uncategorized | এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

নাক খুঁটতে খুঁটতে ভাবছি

মলয় রায়চৌধুরী

নাক খুঁটতে-খুঁটতে ভাবছি

শবদেহ নিয়ে যাচ্ছে গোটা দশেক লোক, সবাই চুপচাপ

শবদেহ কালো প্লা্টিকে আগাপাশতলা মোড়া

করোনা বেচারাকে হরিধ্বনি কিংবা রবীন্দ্রনাথের গান শুনতে দিচ্ছে না

কেই বা গাইবে, তরুণ-তরুণীরা নেই, আধবুড়োদের নাকে-ঠোঁটে মাস্ক

আমি নাক খুঁটতে-খুঁটতে দেখছিলুম আর ভাবছিলুম হিঁদুর মড়ার এই গতি

ব্রাহ্মও হতে পারে, মারা গেলে ওনারা এরকম মুখ বুজেই থাকেন

জীবনানন্দের শবযাত্রায় তেমন লোকজন ছিল না, ওনার শব ছিল বেচারামার্কা

রবীন্দ্রনাথের ছিল হইহই মার্কা সুনীল গাঙ্গুলির মতন

আমার শবও বেচারামার্কা হয়ে পুড়তে যাবে

কেউ এখনও কবিদের শবযাত্রা নিয়ে বই লিখলোনা কেন

জগুবাবুর বাজারে শবের জন্যে খাট আর ফুল পাওয়া যায়

দিনে কয়টা মড়ার খাটের চাহিদা তা জানে দোকানদার

তবুও অনেকে খাটগুলো নাড়িয়ে দ্যাখে

যেন ফুলশয্যার ধস্তাধস্তির জন্য কিনছে

পাশেই দশকর্মের দোকানে শ্রাদ্ধের মেডইজি প্যাক রেডি

অলোকরঞ্জন জার্মানিতে মারা গেলেন, কেউ রবীন্দ্রসঙ্গীত কি গেয়েছিল

নাক খুঁটতে-খুঁটতে এই সবই পাঁচসাত ভাবছি

Posted in Uncategorized | এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

ই ন ডি য়া

মলয় রায়চৌধুরী

ই ন ডি য়া

স্যানিটাইজারে হাত ধুয়ে মুখোশ খুলে রেখে এই লেখাটা লিখছি–

মন্দিরে যাবার গলির দুধারে সকাল চারটে থেকে ভিকিরিদের ঝগড়া চলছে

বসার জায়গার জন্য ; পূণ্যার্থীরা যাবার  বা ফিরে আসবার সময়

প্রসাদের টুকরো-টাকরা কিংবা খুচরো পয়সা দিয়ে যাবে

আজকে মকর সংক্রান্তির দিন

কে কোন ধর্মের তা নিয়ে ওদের মাথাব্যথা নেই

মন্দির মসজিদ গির্জা কোথাও পূণ্যার্থীদের আসা-যাওয়া হলেই হলো

থাকার জায়গা নেই খাবার টাকাকড়ি নেই – 

মুখোসের কথা শুনে ঢলাঢলি ঢঙে হাসাহাসি 

কোভিড ভ্যাকসিন শুনে বলির ছাগলের চাওয়া-চাওয়ি 

বার্ড-ফ্লু  কি সত্যিই এসেছে, জানতে চায় কিশোরী রুক্ষচুলদল

ফেলে-দেয়া ডিম আর মুর্গির মাংস খাওয়া যাবে–

ওরাও তো পারে দল বেঁধে চেঁচিয়ে উঠতে :

ই ন ডি য়া ই ন ডি য়া ই ন ডি য়া ই ন ডি য়া ই ন ডি য়া

Posted in Uncategorized | এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান

ফুল

মলয় রায়চৌধুরী

ফুল

শবের জন্য সেই ফুল চাই যা বহুক্ষণ থাকে

মূর্চ্ছা যায় না শবদেহে  শ্মশান ওব্দি বসে

প্রেমিকার পায়ে কেন জবাফুল দেয় না প্রেমিক ?

গোলাপ দেয় তা যে রঙেরই হোক না কেন

কারণটা খুবই সিম্পল ; গোলাপ মূর্চ্ছা যায়

প্রেমের কথা শুনলেই– ফুলশয্যার রাতে

ফুলগুলো বাজার থেকে আনা – যে ফুল

বাজারে বিকোয় তা শবের ও ফুলশয্যার

দুটি ঘটনার মধ্যে পার্থক্য বিশেষ কিন্তু নেই

ফুলেদের ফুটে ওঠা আর থেঁতলে মারা যাওয়া

Posted in Uncategorized | এখানে আপনার মন্তব্য রেখে যান